ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির আভাস পাওয়া গেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে। মার্চ ২০২৬-এ সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৭১ শতাংশে, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছরের মার্চের তুলনায়ও এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভালো, কারণ ২০২৫ সালের এই সময়ে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। মূলত খাদ্যপণ্যের দাম কমা ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি হ্রাসে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। এই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.২৪ শতাংশে নেমে এলেও খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.০৯ শতাংশ হয়েছে। গ্রাম ও শহর—উভয় অঞ্চলেই সামগ্রিক দাম কমার প্রবণতা দেখা গেছে, বিশেষ করে শহরের খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৮৭ থেকে কমে ৮.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
তবে বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সাধারণ মানুষের পকেটে কতটা সুফল দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যদিও মার্চে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, কিন্তু তা এখনো সাধারণ মূল্যস্ফীতির (৮.৭১%) চেয়ে নিচে অবস্থান করছে। এর ফলে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে। যদিও ২০২৪ সালের জুলাইয়ের তুলনায় বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি বৃদ্ধির ব্যবধান ৩.৭৩ শতাংশ থেকে কমে ০.৬২ শতাংশে নেমে এসেছে, তবুও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরে আসেনি।
